Wednesday, January 6, 2021
একলাফে দশ বছর বয়স কমবে এই ঘরোয়া টোটকায়
Tuesday, January 5, 2021
সুন্দর গোলাপী ঠোঁটের রহস্য কী জানুন
জেনে নিন কী উপায় নিজের ঠোঁটের রঙ মনের মতন করে তুলবেনঃ
১, প্রতিদিন এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে ফেলুন। তারপর এটি আধ ঘন্টার জন্য রেখে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ফল মিলবে তারাতারি।
২. ভালো কোনও সংস্থার গ্লিসারিন কিনে নিন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে তা তুলোয় করে ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। দেখবেন ঠোঁট নরম হয়ে গেছে।
৩. দিনে অন্তত দু থেকে তিন বার শশার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এতে ঠোঁটের কালচেভাব কেটে যাবে অনেকখানি।
৪. সপ্তাহে অন্তত পক্ষে একদিন হলুদের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। কিছুক্ষণ পর তা শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৫. ব্রাশ দিয়ে আলতো করে ঠোঁটের ওপর বুলিয়ে নিন। এতে ঠোঁটের ওপর থাকা মৃত কোষগুলি সরে যায়, এবং তাতে ঠোঁট পরিষ্কার হয়ে যায়।
৬. মধু ও চিনি একসঙ্গে লাগিয়ে নিয়ে আঙুল দিয়ে ঠোঁটে ঘষতে পারেন। এতে ঠোঁট অনেকটা ভালো থাকে ও নরম হয়ে যায়।
ফর্সা হওয়ার উপায় –২ টি ঘরোয়া পদ্ধতি
১) লেবু দিয়ে পান সুন্দর ফর্সা ত্বক
কি কি উপাদান লাগবে :
পাতিলেবু : একটি
মধু : দু চামচ
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
একটি পাতিলেবু নিন।
সেটিকে কেটে লেবু থেকে সমস্ত রস বের করে নিন।
সেখান থেকে দু চামচ লেবুর রস এক চামচ জলে মেশান।
এবার এই মিশ্রণটি ত্বকের দাগ ছোপ যুক্ত জায়গায় লাগান।
লেবুর রস মধুর সাথে সম পরিমাণে মিলিয়েও মুখে লাগাতে পারেন।
এটি ত্বক থেকে যাবতীয় নোংরা এবং রোদের পোড়া দাগ তুলতে সাহায্য করবে।
মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
তবে এই মিশ্রণটি মুখে লাগানোর আগে অবশ্যই কানের পিছনে কিংবা গলায় লাগিয়ে দেখে নেবেন।
কিভাবে এটি ত্বকের সাহায্য করে?
লেবুর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের যেকোনো দাগ ছোপ কে পরিষ্কার করে ত্বককে স্বচ্ছ করে তোলে এবং ত্বকের শুষ্কতা কাটিয়ে তাকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। লেবুর মধ্যে থাকা ব্লিচিং উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে দাগ ছোপ হীন করে তোলে। এছাড়াও রোদে পোড়া দাগও সহজেই হালকা করে। ত্বক যখনই উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যসম্মত হয়ে উঠবে তখনই তা ফর্সা হয়ে উঠবে। (১)
২) ত্বক ফর্সা করতে হলুদের ব্যবহার
কি কি উপাদান প্রয়োজন :
কাঁচা হলুদ বা হলুদ গুঁড়ো : এক চামচ
লেবুর রস : ২ চামচ
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
কাঁচা হলুদ বেটে নিন কিংবা হলুদ গুঁড়ো এক চামচ নিন।
এবার তার সাথে দু চামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিন।
লেবুর রস এবং হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন।
এবার মিশ্রণটি মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন। মূলতঃ যেই সমস্ত জায়গাগুলিতে সূর্যের তাপে কালচে হয়ে গিয়েছে, সেই জায়গাগুলিতে ভালো করে লাগিয়ে নিন।
এরপর ১৫ মিনিট মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নিন।
সপ্তাহে দুবার এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে এক মাসের মধ্যে পার্থক্যটা নিজের চোখেই দেখতে পারবেন।
কিভাবে এটি ত্বকের সাহায্য করে?
হলুদের মধ্যে থাকা উপাদান ত্বকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং আন্টি ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে যা ত্বককে সমস্ত রকম জীবাণু থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও হলুদের মধ্যে থাকা উপাদান ত্বককে দ্রুত প্রক্রিয়ায় ফর্সা করে তোলে। এটি ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে। এছাড়া ত্বক থেকে বার্ধক্যের ছাপ সরিয়ে দিয়ে ত্বককে সবসময় টান টান এবং উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। হলুদ মুখে লাগানোর পাশাপাশি দৈনন্দিন খালি পেটে এক টুকরো করে খাওয়া গেলে তা শরীরকে ভিতর থেকে শুদ্ধিকরণ ঘটায়। (২)
Sunday, January 3, 2021
সৌন্দর্য সম্পর্কে আপনার যাবতীয় ধারণা ভেঙে যাবে
সৌন্দর্য সম্পর্কে চিরকালীন ধারণাগুলি থেকে এইবারে বেরিয়ে আসুন। এত দিন যা যা ভাবতেন, তা সব মিথ্যা প্রমাণিত হতে চলেছে। দেখে নিন সেই সব ভুল ধারণার ৬ দিক।
১. ত্বকে ছোপ মানেই বয়স বেড়ে গিয়েছে: এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ত্বকে ছোপ পড়েছে কারণ আপনি সূর্য থেকে নিজের ত্বককে বাঁচাতে পারেননি।
২. ত্বকে কোনও বিউটি প্রডাক্ট লাগানোর পরে জ্বালা শুরু হওয়া ভাল: কী ভাবেন, প্রডাক্টটি কাজ করছে? বিষয়টি একেবারে উল্টো। ওই প্রডাক্ট আর ব্যবহার করবেন না।
৩. সূর্যের আলোয় চামড়া ট্যান করানো উচিত: ভুলেও এই কাজটি করবেন না। অতিবেগুনি রশ্মিতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাবে।
৪. নিয়মিত চুল কাটলে চুল বড় হয়: আপনি কাটেন চুলের ডগা। অথচ চুল গজায় গোড়া থেকে। ডগায় আপনি কী করছেন, সে সম্পর্কে চুলের গোড়ার বিন্দুবিসর্গ ধারণা থাকে না। অর্থাৎ, চুল কাটার সঙ্গে চুল বড় হওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। চুল বড় করতে হলে গোড়ার যত্ন নিতে হবে।
৫. পাকা চুল তুললে বাকি সব চুল পেকে যাবে: কে বলেছে এই কথাটা? চুলের ফলিক্ল বাড়ানো অসম্ভব। চুল একটা পাকলে, বাকিগুলিতেও পাক ধরবে স্বাভাবিক নিয়মে। এর সঙ্গে একটি পাকা চুলের কোনও যোগাযোগ নেই।
৬. রোজ শেভ করলে চুল ঘন হয়: শেভ করলে ত্বকের উপর থেকে চুল সরে যায়। এর সঙ্গে চুলের মূল গঠন বা নকশার কোনও যোগ নেই। চুল কেমন হবে, তা নির্ভর করে ডিএনএ-র উপর। তাই ছোটবেলায় বাচ্চাকে ন্যাড়া করলেই বড় হয়ে ঘন চুল হবে, এই মিথ থেকে বেরিয়ে আসুন।
মেকআপ ছাড়াই সুন্দর হয়ে ওঠার ১০টি টিপস
সুন্দর দেখানোর জন্য সব সময় মেকআপ করতে হয় না। প্রতিদিনের জীবনযাপনে কিছু জিনিস মেনে চললেই ত্বক এবং চুল এতটাই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে যে মেক-আপের সৌন্দর্যও হার মানে তার কাছে।
মেক আপ ছাড়াই সুন্দর হয়ে উঠতে পারেন যদি মেনে চলেন কিছু রুটিন। সুস্থ শরীর, সুঠাম ফিগার এবং সুস্থ ত্বক— এই তিনটি থাকলে ফাউন্ডেশন-কমপ্যাক্টের প্রয়োজনই হয় না। হালকা কাজল এবং মিউট লিপ গ্লসই যথেষ্ট। জেনে নিন কীভাবে মেক আপ ছাড়াই নিজেকে সুন্দর করে তুলবেন—
১) প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমোন। শরীর ঠিকমতো বিশ্রাম পেলে তবেই হজম ভাল হবে, বাওয়েল পরিষ্কার থাকবে এবং ত্বক উজ্জ্বল লাগবে। ঘুম কম হলেই আই পকেট তৈরি হবে, মুখে নানা রকম র্যাশ বেরবে। তখন সেগুলি ঢাকতে মেকআপ করতে হবে।
২) শীতকালে দিনে একবার এবং গরমকালে দিনে দু’বার ভাল করে সাবান মেখে স্নান করা মাস্ট। সপ্তাহে একদিন মুখ ও সারা দেহে স্ক্রাবিং করলে তবেই পরিচ্ছন্ন থাকবে ত্বক।
৩) প্রতিদিন সকালে উঠে ইষদুষ্ণ এক কাপ জলে একটি পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে শরীরের টক্সিন দূর হবে এবং ত্বক উজ্জ্বল হবে।
৪) পুষ্টিকর সুসম ডায়েট সুন্দর ত্বকের চাবিকাঠি। ভাজাভুজি, ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত মশলা দিয়ে কষা রান্না ইত্যাদি থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই ভাল থাকবে ত্বক।
৫) কারণে-অকারণে মুখে হাত দেওয়ার বদ অভ্যাসটি ছাড়তে হবে। আমরা সারাদিনে কত বিভিন্ন জায়গায় হাত রাখি। তাই হাতের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি জীবাণু থাকে আর যতবার মুখে হাত দেওয়া হয় ততবারই সেগুলিকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় মুখের ত্বকে।
৬) দু’মাসে একবার ডি-ট্যান পলিউশন ফেশিয়াল করতে হবে। এতে ত্বকের অনেক গভীরে বাসা করে থাকা ধূলিকণাগুলিও পরিষ্কার হয়ে যায় এবং ত্বক স্বাভাবিকভাবেই উজ্জ্বল লাগে।
৭) মুখ ধোওয়ার সময়ে সাবান বা বডিওয়াশ ব্যবহার করা যাবে না। শুধুই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে। কোনও ওয়াইপ দিয়ে ঘষে ঘষে মুখ পরিষ্কার করবেন না। আর মুখ ধোওয়ার পরে তোয়ালে দিয়ে হালকা করে মুছে নিতে হবে।
৮) প্রতিদিন রাতে শোওয়ার আগে ক্লিনজিং-টোনিং-ময়শ্চারাইজিং করা মাস্ট। রোজ এই তিনটি ধাপ মেনে চললে ত্বকে কোনও ময়লা জমতে পারবে না। তাছাড়া ঘুমোনোর আগে ভাল করে মেকআপ তুলে তবেই ঘুমোবেন।
৯) রাতে শোওয়ার আগে অবশ্যই নাইটক্রিম লাগাতে হবে। সারারাত ক্রিমটি মুখে মাখা অবস্থায় ঘুমোলে সকালে উঠে দেখবেন ত্বক আর্দ্র এবং নরম রয়েছে। এই নিয়মটি যাঁরা মেনে চলেন তাঁদের মুখে বলিরেখা আসতে দেরি হয়।
১০) মাঝেমধ্যে হেয়ার মাসাজ করে স্পা করাতে হবে। মুখের ত্বকে অনেক সময় ছোট ছোট ব্রণর মতো র্যাশ দেখা যায় যা খুসকির জন্য হয়। চুলের গোড়া পরিষ্কার থাকলে তা হবে না। তাছাড়া চুল ভাল থাকলে তবেই না সুন্দর মুখের সঙ্গে মানিয়ে সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলবে।









