Friday, June 26, 2020

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ "মেয়েদের ত্বক উজ্জ্বল ও লাবন্যময় করার কার্যকরি টিপ্স"

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ
আসুন জেনে নেই সুন্দর ত্বক কী? কারো গায়ের রঙ যখন স্বাভাবিক, সুশ্রী এবং ফর্সা, বাইরে থেকে তার দেহের শিরাগুলো দ্দেখা যায়, তখন আমরা বলি তার ত্বক সুন্দর। ত্বক সুন্দর বা ফর্সা হবার অনেক কারন আছে। যদিও এর বেশিরভাগই বংশগত বা আমরা বলতে পারি জেনেটিক্যাল। তবে কিছু কিছু হোম রেমেডি ব্যবহার করে আপনিও আপনার ত্বককে করে তুলতে পারেন আরো ফর্সা, আরো উজ্জ্বল। এতে আপনার প্রয়োজন হবে না কোন বিউটি পার্লারে যাওয়ার আর কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করার। শুধু একটু যত্ন, ব্যাস!

রোদে পোড়া আর দূষণ থেকে সুরক্ষা:

লোকে বলে 'রোদে বাইরে যেওনা, কালো হয়ে যাবে'। হ্যাঁ, এটা ঘটে ত্বকের মেলানিনের কারনে। রোদে গেলে সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর দিক থেকে ত্বককে রক্ষার জন্য ত্বকে ব্যাপক মেলানিন উত্‍পন্ন হয়। আর এই ব্যাপক মেলানিনের উপস্থিতি ত্বককে করে তোলে কালো কারন মেলানিনের রঙ কালো তাই।
এবার আসুন জেনে নেই কিছু বিউটি টিপস
আপনি যদি সত্যি সত্যি আপনার ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়াতে চান কিংবা হারানো সৌন্দর্য্য ফিরে পেতে চান, তাহলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই। এমনকি আপনাকে ঘন ঘন বিউটি পার্লারেও যেতে হবে না। শুধুমাত্র ঘরে বসে কিছু টিপস আর নিয়ম মেনে চললেই আপনি পেতে পারেন সুন্দর লাবন্যময় ত্বক - যা আপনি চান।


১ প্রাকৃতিক উপায়ঃ

এটাই আসলে প্রকৃত উপায়। আমরা রুপচর্চায় সাধারনত প্রাকৃতিক কিছু উপাদান যেমন শাক-সবজী, ফল এবং এগুলোর পাল্প বা মন্ড ব্যবহার করি। এটা একদিকে যেমন নিরাপদ তেমনি সাশ্রয়ীও বটে - বলা হয়ে থাকে জিরো কস্ট।

২কসমেটিকসঃ

এতে ব্যবহৃত হয় কেমিক্যাল আর কৃত্রিম উপাদান। এর মধ্যে আছে 'মাড প্যাক এবং অন্যান্য ফেয়ারনেস ক্রীম অথবা বিভিন্ন কেমিক্যাল এজেন্টের মিক্সার।
বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞরা ত্বকের সৌন্দর্য্য চর্চায় কসমেটিকসের পরিবর্তে প্রাকৃতিক পদ্ধতির পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কসমেটিকস ব্যবহারে আপনি ফল পেতেও পারেন আবার নাও পেতে পারেন। তবে প্রাকৃতিক পদ্ধতি অবলম্বনে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন - এটা নিশ্চিত।

কি কি উপাদান প্রয়োজন :


কাঁচা হলুদ বা হলুদ গুঁড়ো : এক চামচ
লেবুর রস : ২ চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

    কাঁচা হলুদ বেটে নিন কিংবা হলুদ গুঁড়ো এক চামচ নিন।
    এবার তার সাথে দু চামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিন।
    লেবুর রস এবং হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন।
    এবার মিশ্রণটি মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন। মূলতঃ যেই সমস্ত জায়গাগুলিতে সূর্যের তাপে কালচে হয়ে গিয়েছে, সেই জায়গাগুলিতে ভালো করে লাগিয়ে নিন।
    এরপর ১৫ মিনিট মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নিন।
    সপ্তাহে দুবার এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে এক মাসের মধ্যে পার্থক্যটা নিজের চোখেই দেখতে পারবেন।

কিভাবে এটি ত্বকের সাহায্য করে?


হলুদের মধ্যে থাকা উপাদান ত্বকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং আন্টি ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে যা ত্বককে সমস্ত রকম জীবাণু থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও হলুদের মধ্যে থাকা উপাদান ত্বককে দ্রুত প্রক্রিয়ায় ফর্সা করে তোলে। এটি ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে। এছাড়া ত্বক থেকে বার্ধক্যের ছাপ সরিয়ে দিয়ে ত্বককে সবসময় টান টান এবং উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। হলুদ মুখে লাগানোর পাশাপাশি দৈনন্দিন খালি পেটে এক টুকরো করে খাওয়া গেলে তা শরীরকে ভিতর থেকে শুদ্ধিকরণ ঘটায়।
সুন্দর ত্বকের পরামর্শ

৩) দুধ ব্যবহার করে ত্বককে আরো ফর্সা করে তুলুন


কি কি উপাদান প্রয়োজন :


দুধ – ১ টেবিল চামচ
মধু – ১ চা চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?


    দুধ এবং মধুকে ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে নিন।
    এরপর ১৫ মিনিট মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রাখুন।
    মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে উষ্ণ গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
    ত্বক যদি খুব শুষ্ক থাকে সে ক্ষেত্রে দুধের বদলে দুধের সর মধুর সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
    এতে ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
    সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই এই মিশ্রণটি মুখে ব্যবহার করতে পারেন।

কিভাবে এটি ত্বকের সাহায্য করে?


দুধের মধ্যে উপস্থিত প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ত্বকের রং কে ভিতর থেকে হালকা করে এবং ত্বককে বাইরে থেকে সুন্দর মসৃণ এবং আর্দ্র করে তোলে। দৈনিক দুধের ব্যবহারের ফলে ত্বক আরও লাবণ্যময় হয়ে ওঠে। এছাড়াও দুধ ত্বককে ফর্সা করে তুলতে সাহায্য করে। এবং এটি ফর্সা হওয়ার একটি সহজ উপায়।

৪) ত্বক ফর্সা করে তুলতে টমেটোর ব্যবহার


কি কি উপাদান প্রয়োজন :


টমেটো : দুটো
লেবুর রস : দুই চা চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

    ২টি টমেটো মিক্সিতে বেটে নিয়ে মিশ্রন থেকে টমেটোর রস বের করে নেবেন।
    তারপর পরিমাণমতো টমেটোর রস নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করবেন।
    টমেটো- লেবুর মিশ্রণটি সারা মুখে লাগাবেন।
    মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করবেন।
    তারপর সাধারণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নেবেন।
    সপ্তাহে রোজ স্নানের আগে এই মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে সান ট্যান বা ত্বকের দাগ ছোপ কমে যাবে।

কিভাবে এটি ত্বকের সাহায্য করে?


টমেটোর মধ্যে থাকা উপাদান গুলি ত্বকের দাগ ছোপ কমিয়ে ত্বককে ভেতর থেকে ফর্সা এবং উজ্জ্বল করে তোলে। ত্বকের মধ্যে থাকা লাইকোপিন নামক উপাদান ত্বকে আর্দ্রতা প্রদান করে এবং ত্বকের ওপরে থাকা মৃত কোষগুলিকে সরিয়ে ত্বকের ট্যান দূর করতে সহায়তা করে।

৫) ত্বক ফর্সা করতে দইয়ের ভূমিকা


কি কি উপাদান প্রয়োজন :


টক দই : ২ টেবিল চামচ
মধু : ১ চা চামচ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?


    টক দই এবং মধু ভালো করে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন।
    এবার প্যাকটি পরিষ্কার ত্বকে লাগান।
    ১৫ মিনিট প্যাকটি লাগিয়ে রাখুন।
    অল্প শুকিয়ে এলে সাধারণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
    সপ্তাহে রোজ এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।
    এটি ত্বককে উজ্জ্বল এবং ফর্সা করে তুলতে সহায়তা করবে।

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ "লেবু দিয়ে পান সুন্দর ফর্সা ত্বক"

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

 

 ১.  একটি পাতিলেবু নিন।
  ২.  সেটিকে কেটে লেবু থেকে সমস্ত রস বের করে নিন।
 ৩.   সেখান থেকে দু চামচ লেবুর রস এক চামচ জলে মেশান।
৪.    এবার এই মিশ্রণটি ত্বকের দাগ ছোপ যুক্ত জায়গায় লাগান।
৫.    লেবুর রস মধুর সাথে সম পরিমাণে মিলিয়েও মুখে লাগাতে পারেন।
৬.    এটি ত্বক থেকে যাবতীয় নোংরা এবং রোদের পোড়া দাগ তুলতে সাহায্য করবে।
৭.    মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন
 ৮.   তবে এই মিশ্রণটি মুখে লাগানোর আগে অবশ্যই কানের পিছনে কিংবা গলায় লাগিয়ে দেখে নেবেন।

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ

 কিভাবে এটি ত্বকের সাহায্য করে?

   লেবুর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের যেকোনো দাগ ছোপ কে পরিষ্কার করে ত্বককে স্বচ্ছ করে তোলে এবং ত্বকের শুষ্কতা কাটিয়ে তাকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। লেবুর মধ্যে থাকা ব্লিচিং উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে দাগ ছোপ হীন করে তোলে। এছাড়াও রোদে পোড়া দাগও সহজেই হালকা করে। ত্বক যখনই উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যসম্মত হয়ে উঠবে তখনই তা ফর্সা হয়ে উঠবে।

 

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ "ঠোঁটের সৌন্দর্যের টিপস"

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ
প্রথমেই নিজের ত্বকের আন্ডারটোনটা চিনে নিন। প্রাকৃতিক আলোতে হাতটা ওপরে তুলে ধরুন এবং হাতের কব্জির ভিতরের শিরা দেখার চেষ্টা করুন। আপনার শিরার রঙ যদি নীল অথবা বেগুনি হয় তাহলে আপনার স্কিন টোন কুল টাইপ। যদি সবুজ হয়, তবে আপনার স্কিন টোন ওয়ার্ম টাইপ। আপনি যদি বুঝতে না পারেন যে আপনার শিরার রঙ বেগুনি নাকি সবুজ তাহলে আপনার স্কিন টোন সাধারণ বা নিউট্রাল প্রকৃতির। আরও অনেক পদ্ধতি আছে স্কিনটোন নির্ণয়ের। আপনাকে যদি রুপোর গয়নায়, লাল পোশাকে বেশি মানায়, তাহলে আপনার কুল আন্ডারটোন। যদি সোনার গয়না অথবা হলুদ বা কমলায় আপনাকে বেশি মানিয়ে যায়, তা হলে আপনার ওয়ার্ম আন্ডারটোন। প্রাকৃতিক আলোতেও স্কিন টোন ভালো বোঝা যায়।

 লাল লিপস্টিক মেয়েদের বিউটি বক্সে থাকবেই। ট্র্যাডিশনাল লুকে অথবা ইভিনিং পার্টিতে সবখানেই লাল লিপস্টিক ইজিলি মানিয়ে যায়। লাল এমনই একটা রং যা উজ্জ্বল বর্ণের মেয়েরা যেমন ক্যারি করতে পারেন, তেমনি শ্যামলারাও পড়তে পারেন নির্দ্বিধায়। লালের মধ্যেও কিন্তু শেড আছে! কেমন ধরণের লাল রঙ আমার টোনের সাথে পারফেক্ট হবে, এ নিয়ে অনেক গবেষণাও করে ফেলি আমরা! ব্রাইট রেড, অরেঞ্জ রেড, সিঁদুর লাল, নিওন অরেঞ্জ এগুলো কুল আন্ডারটোনে দারুণ মানাবে। ফর্সা স্কিনের অধিকারী হলে চোখ বুজে এই শেডগুলো বেছে নিতে পারেন। মিডিয়াম টোনের সাথে টমেটো রেড, চাপা বা শ্যামলা রঙের সাথে গাঢ় লাল বা ব্লাড রেড, মেরুন রেড রঙের লিপস্টিক খুব ভালো মানায়। স্কিনটোন অনুযায়ী লিপস্টিক বাছাই করে নিলে দেখতে খুবই ভালো মানাবে।
tt

পিঙ্ক কালারের প্রতি মেয়েদের একটা অন্যরকম আকর্ষণ আছে। লিপস্টিকের পিঙ্কের শেড নিয়ে আমাদের এক্সপেরিমেন্টের শেষ নেই। ফর্সা ত্বকের আন্ডারটোন সাধারণত গোলাপি ঘেঁষা হয়, ফলে গোলাপির নানা শেড তারা অনায়াসে পরতে পারেন। বেবি পিঙ্ক, লাইট পিঙ্ক, কটনক্যান্ডি পিঙ্ক এগুলো ফেয়ার স্কিনে সবচেয়ে ভালো মানায়। হট পিঙ্ক আর ফুশিয়া কালারটা উজ্জ্বল শ্যামলাদের জন্য গুড অপশন। মিডিয়াম বা ট্যানড স্কিনে রোজি বা ডাস্টি পিঙ্ক, কোরাল, পীচ, ম্যাজেন্টা খুব ভালো লাগে। আর শ্যাম বর্ণের হলে ডীপ শেডের কালার বেছে নিন, যেমন- ওয়াইন, ডার্ক ম্যাজেন্টা, পাম (গাঢ় জাম রং) কিংবা ক্যানবেরি। এভাবেই স্কিনটোন অনুযায়ী লিপস্টিক বাছাই করুন। দেখবেন আপনাকে লিপস্টিক কিভাবে মানায়!


Friday, June 19, 2020

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ "ঘরে বসে সুন্দর হবার উপায়"

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ

গায়ের রঙ উজ্জ্বল হলেও অনেক সময় সেই উজ্জ্বলতা মলিন হয়ে যায়। এর কারণ হিসেবে রোদ, ধুলোবালি তো রয়েছেই, সেইসঙ্গে যত্নের অভাবেও গায়ের রঙ মলিন হতে পারে। তবে ঠিকভাবে যত্ন নিলে মাত্র এক সপ্তাহেই ফর্সা রঙ পাওয়া সম্ভব। এর জন্য বাড়তি কোনো খরচেরও দরকার পড়বে না। ঘরে থাকা বিভিন্ন উপাদান দিয়ে সহজেই ফিরে পেতে পারেন আপনার ত্বকের কাঙ্ক্ষিত রঙ।

টমেটোতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় লাইকোপেন নামক একটি উপাদান, যা সব ধরনের ত্বকের দাগ মিলিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি মৃত কোষের স্তর সরিয়ে দেয়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। ১-২টি টমেটো ব্লেন্ডারে দিয়ে তার সঙ্গে ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। এরপর সেই মিশ্রণটি ভালো করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।


অল্প করে অ্যালোভেরা জেল নিয়ে তাতে পরিমাণমতো বাদাম গুঁড়া মিশিয়ে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিফেলুন। তারপর সেই মিশ্রণটি ভালো করে মুখে লাগিয়ে কম করে ১৫-৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে ফর্সা করার পাশপাশি নানাবিধ স্কিন ডিজিজের প্রকোপ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।সুন্দর ত্বকের পরামর্শ 




 পরিমাণ মতো দইয়ে অল্প করে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেই পেস্ট ১৫ মিনিট মুখে মাসাজ করুন। এরপর মুখ ধুয়ে নিন। মধু ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তোলে আর লেবুর রস এবং দইয়ে মিশ্রণে উপস্থিত ভিটামিন-সি ত্বককে উজ্জ্বল এবং ফর্সা করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

একটি লেবু থেকে রস সংগ্রহ করে তাতে ১ চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণটি ততক্ষণ পর্যন্ত মুখে ঘষতে থাকুন, যতক্ষণ না চিনিটা ত্বকের সঙ্গে একেবারে মিশে যায়। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ফর্সা ত্বক পেতে এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি দারুণ কাজে আসে।


Thursday, June 18, 2020

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ : "সুন্দর হবার ৫টি টিপস"

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ

টিপস:- ১
 ১ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং আধা টেবিল চামচ বাদামের তেল ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর পরিষ্কার করুন। এই প্যাকটি মুখে শাইন আনবে আর রোদে পোড়া ভাব দূর করবে।

টিপস:-২
বেসন, দুধ ২ চা চামচ এবং লেবুর রসের মিশ্রণ মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ বার এটা লাগান আপনার গায়ের রঙ অবশ্যই উজ্জ্বল হবে।

টিপস:- ৩
আমরা সবাই কমলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দেই। অথচ এই ফেলনা জিনিসটাই আপনাকে পৌছে দিবে আপনার স্বপ্নের অনেক কাছাকাছি। কমলার খোসা রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। তারপর ১ টেবিল চামচ গুঁড়োর সাথে ১ টেবিল চামচ টক দইয়ের পেস্ট মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

টিপস:- ৪
ঝকঝকে ত্বকের জন্য চন্দন গুঁড়োর অবদান অনস্বীকার্য। চন্দন গুঁড়োর সাথে দুধ মিশিয়ে প্রত্যেক দিন হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। অল্প দিনের মধ্যে আপনার মুখে হাসি ফুটবেই।

টিপস:- ৫
আপনার যদি টমেটোতে অ্যালার্জি না থেকে থাকে তাহলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের সাথে টমেটো পিউরি মিশিয়ে মুখে এবং গলায় ব্যবহার করুন ফর্সা ত্বকের জন্য এবং ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

আশা করছি প্রাকৃতিকভাবে ফর্সা হওয়ার উপায় ও টিপসগুলো আপনাদের কাজে লাগবে। কিন্তু অবশ্যই খেয়াল রাখবেন উপাদানগুলোর সাথে আপনার ত্বক মানিয়ে নিতে পারে কিনা। আপনার এক বন্ধু বা আত্মীয় এক উপাদান দিয়ে উপকার পায় বলে আপনিও পাবেন এমন কোন কথা নেই।

সুন্দর ত্বকের পরামর্শ " সুন্দর হবার ১০টি টিপস "

 সুন্দর ত্বকের পরামর্শ

সুন্দর হবার ১০টি টিপস :


 সুন্দর হইবার ফাটাফাটি টিপস (মেয়েরাই নয় ছেলেরাও এই টিপস গুলো অনুসরণ করে সুফল পেতে পারেন)

সুন্দর হইবার ফাটাফাটি টিপস (মেয়েরাই নয় ছেলেরাও এই টিপস গুলো অনুসরণ করে সুফল পেতে পারেন)

টিপস:- ১

যতটা পারে রোদ থেকে বাঁচুন। ছাতা এবং সানগ্লাস ব্যবহার করুন।যখনই বাহিরে যাবেন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

টিপস:-২

যখনই সুইমিং পুল, সমুদ্রের ধারে বা বরফ পড়ে এমন জায়গায় যাবেন, তখনই সান স্ক্রিন লাগাবেন। কারণ জল বা বরফে সূর্যরশ্মি বেশি প্রফলিত হয়।

টিপস:- ৩

তিল বেটে নিন অথবা গুড়ো করে নিন। এতে সামান্য জল মিশিয়ে ছেঁকে নিন। একটা সাদা রঙের তরল পাবেন সেটা মুখে লাগান, বিশেষ করে রোদে পোড়া জায়গায় লাগান। ত্বক ফর্সা হয়ে যাবে।

টিপস:- ৪

ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য দই লাগান মুখে। মিনিট কুড়ি রাখুন। তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে।

টিপস:- ৫

নিয়মিত দুধ দিয়ে মুখ ধুয়ে মুছে ফেললেও ত্বক ফর্সা হয়।

টিপস:- ৬

যদি আপনার অয়েলি স্কিন হয় তা হলে ত্বক আরো উজ্জল ও আরো ফর্সা করার জন্য নিন্মলিখিত পদ্ধতি অনুকরণ করুনঃ
লেবুর রস আর ডিমের ডিমের সাদা অংশ সম পরিমাণে মেশান। তা মুখে লাগিয়ে রাখুন কুড়ি মিনিট এবং পরে ধুয়ে ফেলুন।

টিপস:- ৭

সারা গায়ের রং উজ্জল করতে বেসন, দই আর সামান্য হলুদ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। স্নানের সময় সাবানের বদলে এটি ব্যবহার করুন নিয়মিত।

টিপস:- ৮

অনেক সময় হাত, পা, হাঁটু, কনুই কালো হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে আধ কাপ পেঁপের শাঁস, এক-চামচ তরমুজের রস, এক-চামচ লেবুর রস, আধখানা ডিমের সাদা অংশ, এক-চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। যেখানে প্রয়োজন এই মিশ্রণটি লাগান। শুকোতে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।

টিপস:- ৯

যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়, দু চা-চামচ কাঁচা দুধ, দু চা-চামচ আলুর রস ঠান্ডা করে এটি ব্যবহার করুন ক্লেনজার হিসেবে।

টিপস:- ১০

শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে চন্দন, মালাই আর সামান্য হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ত্বক আরো উজ্জল এবং আরো ফর্সা হবে।