Sunday, December 15, 2019

ত্বক সুন্দর রাখতে কী খাবেন

সৌন্দর্য্যের বড় উপাদান সুন্দর ত্বক। শুধু মেয়েরা নয়, আজকাল ছেলেরাও সুন্দর ত্বকের ব্যাপারে অনেকটা সচেতন। অনেকে সুন্দর বলতে শুধু ফর্সা বুঝায়। কিন্তু না, ত্বক সুন্দর রাখার সবচেয়ে বড় শর্ত ত্বক সুস্থ রাখা। সেজন্য ভালো খাবার, ঘুম, বিশুদ্ধ পানি পানের বিকল্প নেই। পাশাপাশি মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম।
ত্বক সুন্দর ও সুস্থ রাখার একটি বিষয় হলো অভ্যন্তরীণ অন্যটি বাহ্যিক। বাহ্যিকভাবে ত্বকের কেমন যত্ন নিচ্ছেন এটা যেমন দেখার বিষয় তেমনি ভেতর থেকে ত্বক কতোটা পুষ্টি পাচ্ছে- এর উপরই নির্ভর করবে ত্বকের সুস্থতা ও সৌন্দর্য্য।
ত্বকের যত্নে অভ্যন্তরীণ ব্যাপারটাই প্রধান। মেয়ে বা ছেলেদের ত্বকের সৌন্দর্য্যের ক্ষেত্রে পুষ্টি একটি প্রধান ব্যাপার। ত্বকে যেন ব্রন না উঠে, যেন ময়েশ্চারাইজার ঠিক থাকে সেজন্য আমরা ( পুষ্টিবিদ) বলে থাকি খাবারের তালিকায় যেন দৈনিক দুই থেকে তিনবার পরিবেশন পরিমাণে শাকসবজি ফল থাকে। সবজি থেকে আমরা পেয়ে থাকি ভিটামিন `এ` ও `ই`। সূর্য থেকে পেয়ে থাকি ভিটামিন `ডি` ও ফলমূল থেকে পেয়ে থাকি ভিটামিন `সি`। যা আমাদের ত্বককে সুন্দর করতে সাহায্য করে। এই ভিটামিনগুলো শরীরে নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই আমাদের লাইফস্টাইলকে পরিবর্তন করতে হবে।
আমরা যারা বাইরের ভাজাপোড়া ও ফার্স্টফুড জাতীয় খাবার বেশি খাই তাদের ত্বক কখনোই সুন্দর হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, ফার্স্টফুড জাতীয় খাবার থেকে আমাদের অনেকেরই হজমের সমস্যা হয়, পেট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মনে রাখতে হবে, পেটের সুস্থতার সঙ্গে ত্বকের সুস্থতা অনেকটাই সম্পর্কিত।
আজকাল অনেক মেয়েই পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রমে ভুগছেন। তাদেরও ত্বকের সমস্যা দেখা যায়। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে তাদের ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজন। অর্থাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া থেকে আমাদের ত্বকের সমস্যা হতে পারে। কিন্তু আমরা এমন সমস্যার ক্ষেত্রে ত্বকের সোন্দর্য্যের জন্য একদিকে যেমন প্রচুর প্রসাধনী ব্যবহার করি অন্যদিকে তেমন ওষুধ ও খেয়ে থাকি। কিন্তু একটু সচেতন হলে বা একটু যত্ন নিলে সুন্দর সুস্থ ত্বক রাখা সম্ভব।
এখন শীতের সময়। এই শীতে ত্বক সুন্দর রাখার ক্ষেত্রে যদি শীতকালীন সবজি বিশেষ করে স্যুপ খাওয়া যায় তাহলে একদিকে যেমন পাব এন্টি অক্সিডেন্ট তেমনি অন্যদিকে পাব তরল। অর্থাৎ সবজি স্যুপ আমাদের শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে, ত্বক সুন্দর রাখবে।
ত্বকের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পরিমাণমতো ও নিয়মিত ঘুম। যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘুমিয়ে পড়লে এবং ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম প্রত্যেকদিন অবশ্যই ঘুমালে ত্বক ভালো থাকবে। মনে রাখতে হবে, ঘুমের মধ্যেই আমাদের ত্বকের কাজগুলো চলতে থাকে এবং হরমোনের ব্যালেন্সিং হয়। ফলে ত্বক সুন্দর থাকে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি অর্থাৎ বিশুদ্ধ পানি ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করতে ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ক্যারোটিন বা কমলা রংয়ের খাবারগুলো বিশেষ করে গাজর, টমেটো, লাল আপেল- এই ধরনের খাবারগুলো আমাদের ত্বককে উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে সাহায্য করে।
দুধ আমাদের ত্বকের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একগ্লাস দুধ ও বায়োটিনের অভাব পূরণের জন্য একটি ডিম কিন্তু আমাদের খাওয়া উচিৎ। শুধু ত্বক নয়, এই খাবারগুলো দিয়ে আমাদের চুল ও নখকেও সুন্দর করতে পারি। তাই ত্বকের যত্নে আমরা খুব দামী প্রসাধনী ব্যবহার না করেও ত্বককে সুন্দর ও সুস্থ রাখা সম্ভব।

Saturday, December 7, 2019

বিয়ের আগে সাজ নিয়ে দুশ্চিন্তা, জেনে নিন পাঁচটা গুরুত্বপূর্ণ টিপস

বিয়ের সাজ বলে কথা, আর তা নিয়ে চিন্তায় নেই এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এই অনুষ্ঠানের মধ্যমণি কনের সাজ সবচেয়ে আকর্ষণীয় না হলে আর কীই বা হল । তাই সব কনেরাই বিয়ের সাজ কেমন হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। আর সেই দুশ্চিন্তা দূর করতেই আজকের প্রতিবেদনে রইল বেশকিছু দরকারি টিপস যা বিয়ের সাজে মাষ্ট
১। মুখের সাজ 
 মুখে মেকআপ করার আগে ভালো ব্র্যান্ডের ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধোয়া কিন্তু অবশ্যই জরুরি। বিয়ের এক মাস আগে থেকে নিয়মিত মুখের ত্বক হাইড্রেটেড রাখলে মেকআপ ভালো স্যুট করে । ফাউন্ডেশন বাছার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দিন। নয়তো পুরো সাজটাই বিগড়ে যাবে। শুধু তাই না, ত্বকের সঙ্গে শেড মানানসই না হলে বিগড়ে যাবে মেকআপের বেস। ফাউন্ডেশন ব্যবহার করার সময় নজর রাখুন পুরো মুখ এবং গলার ত্বক কভার হচ্ছে কিনা। স্কিনটোন উজ্জল করতে কিন্তু এটিই ভরসা। বেস মেকআপ-এর পর এবার পালা ডিটেইলস এর। ব্লাশার ব্যবহার করার আগে আপনার পোশাকের দিকে একবার তাকান। ব্লাশারের রঙ ম্যাচ না করলে আপনাকে কিন্তু মোটেই আকর্ষণীয় লাগবে না। চোখের নীচ থেকে শুরু করে কানের শেষ পর্যন্ত তেরচা করে লাগান ব্লাশার। এতে ডিটেইলিং পাবে চিকের অংশও। আপনার মুখকে আরও নজরকাড়া করে তুলতে ব্যবহার করতে পারেন হাইলাইটার।



২। চোখের সাজ
 

ব্রাইডাল মেকআপ-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পার্ট কিন্তু চোখকে সাজিয়ে তোলা। প্রথমেই সুন্দর করে এঁকে নিন আইব্রো'স। এক একরকমের ব্রাইডাল মেকআপ-এ এক একরকম চোখের সাজ হয় । তাই খেয়াল রাখুন আপনি কেমন চোখের সাজ চাইছেন- ব্রাইট গ্লসি আইস্ না ম্যাট লুক নাকি শুধুই হাইলাইটেড আইস্। সেই অনুযায়ী কথা বলে নিন আপনার মেকআপ আর্টিস্ট এর সাথে। চোখের সাজে আইশ্যাডোর ব্লেন্ডিং কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। দেখবেন পোশাকের সাথে যেন আইশ্যাডোর কম্বিনেশন ম্যাচড হয়। খেয়াল রাখুন লাইনার আঁকার সময়ও। মুখের সাজের সঙ্গেসাথে যেন বেমানান মনে না হয় লাইনার আঁকার স্টাইল। চোখকে আরও সুন্দর করতে চোখের নিচে ব্যবহার করতে পারেন হাইলাইটার। চোখের পাতা ছোট হলে চিন্তা করবেন না।আইল্যাশ কার্লার দিয়ে আলতো কার্ল করে নিন আইল্যাশ।এতে বড়ো দেখাবে চোখের পাতা এবং অনায়াসে লাগাতে পারবেন মাস্কারা।





লিপ কালার পুরো মুখের সাজকে সম্পূর্ণ করে তোলে। পোশাকের রঙ এবং সাজের সঙ্গে ম্যাচ করছে, এমন লিপ কালারই বাছুন। আপনার সম্পূর্ণ সাজ যদি হালকা ধাঁচের হয়, তবে বেছে নিতে পারেন গাঢ় লাল অথবা মেরুন লিপস্টিক। প্রফেশনালদের মতে যদিও কনেসাজের সবচেয়ে ভালো লিপ কালার হল সফ্ট কোরাল বা গোলাপি। স্টেইনও ব্যবহার করতে পারেন লিপ কালার লাগানোর আগে যা দীর্ঘস্থায়ী করে ঠোঁটের রঙ। মেক-আপ আর্টিষ্টের পরামর্শ নিয়ে হালকা লিপ গ্লস ব্যবহার করুন যা আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষণীয়।


৪। চুলের সাজ

বিয়ের দিন চুল ঘন ও সুন্দর করে তুলতে হলে যত্ন করতে হবে কয়েকমাস আগে থেকেই। ঘরোয়া টোটকা যেমন ডিমের সাদা অংশ, পেঁয়াজের রস ইত্যাদি ব্যবহার করলে চুল অনেক বেশি স্মুথ আর ব্রাইট হয়। এছাড়া পার্লারে গিয়েও নিয়মিত চুলের চর্চা করতে পারেন। স্পা এবং চুলের ন্যরিশমেন্ট চুলে ভালো ভল্যুম দেবে। আর বিয়ের দিন পছন্দমতো স্টাইলে বেঁধে নিলেই নজর কাড়বে চুলের সাজ। এছাড়া ছোট সুগন্ধী ফুলের বাহারে চুলকে আরও সুন্দর করে তোলা যায়। অথবা শুধু গোলাপই আপনাকে অনন্যা করে তুলতে পারে বিয়ের দিন ।



মুখের রঙ ফর্সা করুন



  *আলুর চোকলা ছাড়িয়ে আলুটা ভাল করে কিষে নিন
 এই কেষা আলুটা মুখে লাগান৷ এতে আপনার মুখের কালো ছাপটা দূর হয়ে যাবে
৷ ত্বকও নমনীয় হবে৷
*মালাই আর গোলাপ জল মিশিয়ে হালকা ম্যাসেজের মধ্যে দিয়ে মুখে লাগান
৷ এটা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে৷* দুধ আর মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে ঘাড়
,হাত এবং পায়ে মালিশ করুন৷ এতে ত্বক নমনীয় হবে
৷* পেঁপে ভাল করে চটকে এর মধ্যে মধু আর দুধ মিশিয়ে ফেস প্যাক তৈরী করুন৷ 
এই প্যাকটা মুখে ও হাতে লাগিয়ে কিছুক্ষন রাখার পর ধুয়ে ফেলুন৷ 
এতে ত্বকের সব নোংরা দূর হয়ে যাবে৷
  • সৌন্দর্য বাড়ানোর ফলদায়ী টিপস
ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপায়ে আমরা চেহারার সৌন্দর্য বাড়াতে পারি৷ 
এই প্রাকৃতিক উপাদান গুলো দিয়ে কি ভাবে সৌন্দর্য বাড়ানো যায় চলুন জেনে নিই

* লেবুর রসের মধ্যে চিনি মিশিয়ে ঐ মিশ্রনটা কনুই,ঘাড় এবং হাতে ভাল করে রগড়ান৷

 এতে শুধু নোংরাই দূর হবে না
৷ আপনার ত্বকও মুলায়াম হবে৷ এর সঙ্গে ট্যানিংও দূর হয়ে যাবে৷
গরমে চুলের সুরক্ষা কি করে বজায় রাখবেন?
গরম কালে ধুলো বালিতে চুল একেবারে রুক্ষ্ণ হয়ে যায়৷ 
চুলকে রুক্ষ্ণতার হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিদিন মাথা ভাল করে ধুন এবং
 চুলে কন্ডিশনার লাগান
  • বেসন আর হলুদ লাগান
 বেসন আর হলুদ লাগান
বেসনের সঙ্গে হলুদ ও লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান ৷ত্বক উজ্জ্বল হবে৷
গোলাপ জল চাকচিক্য বাড়ায়
মুখে প্রতিদিন গোলাপ জল লাগান৷ ত্বকের গ্ল্যামার বাড়বে৷
ত্বক মোলায়েম করে পুদিনা
পুদিনা বেটে মুখে লাগানোর পরে 20-25 মিনিট রাখার পরে ধুয়ে ফেলুন৷

 ত্বক মোলায়েম হবে৷
মেথি ডেনড্রাফ দূর করে
100 গ্রাম মেথিদানা জলের মধ্যে মিশিয়ে তা পিষে মাথায় লাগান খুসকী কমে যাবে৷
গাজরে খুসকী নাশ
গাজরের রস মাথায় লাগান খুসকী কমে যাবে৷
  • পেঁপের পেস্ট লাগান
 পেঁপের পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন৷ ত্বকের কালো ভাব দূর হয়ে যাবে৷ 
ব্রোনো হবে না৷
  • রোদ থেকে মুখ বাঁচান
 রোদে যদি মুখ পুড়ে যায় তাহলে জাম পাতা,আম পাতা বেটে ঐ পেস্টের মধ্যে 
হলুদ গুড়ো মিশিয়ে মুখে লাগান৷ আপনার ত্বক উজ্জ্বল হবে ৷
  • ত্বকের কালো ছাপ মেটান
যদি ত্বকের মধ্যে কালো ছাপ হয়ে যায় তাহলে চিনির রসের মধ্যে নুন মিশিয়ে ভালো করে মালিশ করুন কালো ছাপ দূর হয়ে যাবে৷
  • চোখের নীচের কালো ছাপ মেটান
গরমের দিনে রাতে শোওয়ার আগে চোখে গোলাপ জল দিতে কখনও ভুলবেন না৷ এছাড়া শশা, কাচা দুধের ক্রিমটাও চোখের জন্য উপকারী৷ এগুলো চোখে দিলে কখনও চোখ জ্বালা অনুভব করবেন না৷ চোখের নীচের কালো ছাপও মিটে যাবে৷
  • মেক আপ তুলে ঘুমান
চেহারা সাবান দিয়ে না ওয়াশ করে ফেশওয়াশ ব্যবহার করুন৷ রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে আপনার মেকআপ অবশ্যই ধুয়ে ফেলুন৷
মুখের উজ্জ্বাল্য বাড়ান
 গোলাপের পাপড়ি পিশে দুধের স্বরের মধ্যে মিশিয়ে মুখে লাগান৷ 
এতে আপনার মুখের উজ্জ্বাল্য বাড়বে৷
  • ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমান
ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত হলে চন্দনের মধ্যে স্বল্প পরিমান গন্ধক মিশিয়ে নিন৷ 
গরমের সময়ে এই প্যাক ত্বকের পক্ষে খুবই লাভদায়ক৷
চেহারা সাবান দিয়ে না ওয়াশ করে ফেশওয়াশ ব্যবহার করুন৷ রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে আপনার মেকআপ অবশ্যই ধুয়ে ফেলুন৷

Friday, December 6, 2019

চুলের যত্ন নিতে এর উপকারিতা ও কীভাবে ব্যবহার করবেন.

সামনেই পুজো। আর পুজোর আগে সাজগোজ না করলো চলে! বিশেষ করে চুল যদি সুন্দর না থাকে তাহলে পুজোর সময় নানারকম চুলের স্টাইল করা যাবে না। আর সুন্দর চুল কে না পছন্দ করে! কিন্তু, চারিদিকে এত দূষণ, ধুলো আমাদের চুলকে নষ্ট করে দেয়। চুলের সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচানোর সেরা উপায় আমাদের প্রকৃতিতেই আছে। শুধু একটু কষ্ট করে খুঁজে নিতে হবে। বাজারজাত বিভিন্ন ক্যমিকাল আমাদের চুল নষ্ট করে দেয়। তাই পুজোর আগে আপনার চুল সুন্দর, মজবুত করার জন্য রইল কিছু উপা


সুন্দর, মজবুত,নরম চুল পেতে চাইলে অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে অ্যাভোকাডো। সুন্দর চুল গড়ে তুলতে এর জুড়ি মেলা ভার। হ্যাঁ, নাসপাতির মতো দেখতে অ্যাভোক্যাডোর মধ্যে প্রচুর গুণ আছে যা আমাদের চুল সুন্দর করে তুলতে পারে। অ্যাভোকাডোয় অবস্থিত ভিটামিন এ, বি-৬, সি এবং ই এবং তামা, পটাসিয়াম, আয়রনের মতো খনিজ সমৃদ্ধ, এগুলি সবই আমাদের চুলের উপকার করে। এটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা চুলকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। অ্যাভোকাডোতে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যামিনো অ্যাসিড চুলকে ময়েশ্চোরাইজ করে রাখে।
 
১) অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রোটিন রয়েছে যা মাথার ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং পুষ্টি সম্পন্ন করে তোলে। অ্যাভোকাডো তেল ক্ষতিগ্রস্থ চুলকে চাঙ্গা করতে খুব কার্যকর।
 
 
 ক) অর্ধেক অ্যাভোকাডো 
 
খ) দু টেবিল চামচ অ্যাভোকাডো তেল 
 
 
 ব্যবহারের পদ্ধতি :
 
 
 ক) অ্যাভোকাডোটির পেস্ট তৈরি করুন
 
 খ) এতে অ্যাভোকাডো তেল যোগ করুন এবং ভালভাবে মেশান
 
 গ) আমাদের মাথার ত্বকে এই মিশ্রণটি ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন এবং আপনার পুরো চুলে ভালোভাবে লাগান।
 
ঘ) ১৫ মিনিট রেখে তারপর আপনার শ্যাম্পু করে নিন ২) নারকেল তেলে ভিটামিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে যা চুলের উপকারে লাগে। এটি চুলের গভীরে গিয়ে পুষ্টি জোগায়। এটি চুলকে ময়েশ্চোরাইজ করে, মাথার ত্বক ভালো থাকে। এটি অ্যাভোকাডোর সাথে মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল সুন্দর হয়।
 
 উপকরণ :
 
 ক) একটা পাকা অ্যাভোকাডো 
 
খ) দু টেবিল চামচ নারকেল তেল 
 
 ব্যবহারের পদ্ধতি :
 
ক) একটি বাটিতে অ্যাভোকাডো নিয়ে ভালো করে ফলটি মিহি করে ফেলুন 
 
 খ) নারকেল তেল ভালো করে মেশান।
 
 গ) চুলের গোড়ায় এবং চুলে ভালো করে মাখুন
 
ঘ) শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথাটি ঢেকে রাখুন
 
 ঙ) ৩০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে শ্যাম্পু করে নিন 
 
৩) অ্যাভোক্যাডোতে উপস্থিত ভিটামিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিডগুলি চুল উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েলে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মাথার ত্বকের ক্ষতি প্রতিরোধ করে। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন যা চুলের উপকার করে।

Thursday, December 5, 2019

কাঁচা সোনার মতো উজ্জ্বল ত্বক চাইলে ভরসা রাখতেই হবে কাঁচা হলুদে



রূপটানের কথা উঠলে একদম প্রথমদিকেই থাকবে হলুদের নাম। এমনিতেই যে কোনও উৎসবে পার্বণ হলুদ ছাড়া অসম্পূর্ণ থেকে যায়। রূপচর্চার দুনিয়াতেও চিরকাল হলুদ রাজত্ব করে এসেছে। মুখের নিষ্প্রাণ বিবর্ণভাব কাটিয়ে সতেজ উজ্জ্বলতা এনে দিতে, মুখের কালো দাগছোপ হালকা করতে, ব্রণ-ফুসকুড়ি নির্মূল করার কাজে, মুখের যে কোনও প্রদাহ কমাতে হলুদের ব্যবহার বহু প্রাচীন। সমস্যা হল, শুধু কাঁচা হলুদ মুখে মাখলে ত্বক ভীষণ হলদে দেখায়, তাই তার সঙ্গে যদি মেশাতে পারেন বেসন বা চন্দন, তা হলে ফেসপ্যাকের কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তেলতেলেভাব কাটিয়ে আর ত্বকের আর্দ্রতা বাড়িয়ে তুলে ত্বক কোমল, উজ্জ্বল রাখতে তাই বেছে নিন হলুদ দিয়ে তৈরি কিছু দুর্দান্ত ফেসপ্যাক।


 
আপনার দরকার দু’ টেবিলচামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদবাটা, এক টেবিলচামচ পরিমাণ বেসন অথবা চালের গুঁড়ো, দু’ টেবিলচামচ টক দই বা দুধ (তেলতেলে ত্বক হলে) অথবা অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল (শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে) আর এক টেবিলচামচ মধু। সমস্ত উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। মুখে সমান করে মেখে 15 থেকে 20 মিনিট রাখুন, তারপর ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোওয়ার পর প্রথমে টোনার আর সব শেষে ময়শ্চারাইজ়ার অবশ্যই লাগাবেন।




 ত্বকের প্রদাহ কমাতে হলুদ

 
যাঁদের ত্বক সেনসিটিভ, তাঁদের একটুতেই মুখে জ্বালা করে, ত্বক লালচে হয়ে যায়। হলুদের প্যাক প্রদাহ কমিয়ে ত্বক শীতল রাখতে পারে। এক চাচামচ পরিমাণ হলুদবাটার সঙ্গে আধ চাচামচ পরিমাণ অ্যালো ভেরা জেল আর এক চাচামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটা ঘন হবে না, বরং বেশ তরলই থাকবে। মুখে আলতো করে লাগিয়ে নিন। 10 মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি লাগালে মুখে সামান্য হলদেটে ভাব আসতে পারে। তা না চাইলে মিশ্রণটিতে কয়েকফোঁটা অলিভ বা নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন।


ত্বক কোমল উজ্জ্বল রাখুন হলুদ দিয়ে

 
মুখ খুব নিষ্প্রাণ ক্লান্ত দেখাচ্ছে? হাতের কাছে রাখুন হলুদ আর ময়দা। দু’ টেবিলচামচ ময়দা, এক চাচামচ হলুদবাটা, এক টেবিলচামচ আমন্ড অয়েল আর তিন টেবিলচামচ দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ক্রিমের মতো মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। মুখে লাগিয়ে মিনিট 15 রাখুন, তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

Tuesday, December 3, 2019

পাঁচ ধরনের ত্বকের যত্ন নিতে পাঁচটি ঘরোয়া উপায়

১.সংবেদনশীল ত্বকের জন্য


যাদের ত্বক সংবেদনশীল তাদের ত্বকের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে খুবই সচেতন থাকতে হয়। কোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন আর কোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন না সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। না হলে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেবে। তাদের জন্য ত্বকের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে ঘরোয়া পদ্ধতি সবচেয়ে লাভজনক। চলুন জেনেনি সংবেদনশীল ত্বকের ফেসপ্যাক কিভাবে বানানো যাবে।

উপকরণ

 

বেকিং সোডা, গোলাপজল, গরমজল, ও তুলো।
১ কাপ হালকা গরমজল নিন। তাতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা ও ২ চা চামচ গোলাপজল মেশান। এবার তুলো নিয়ে এই মিশ্রণটি মুখে মাখুন। ৫ মিনিট রাখুন। দিনে ২বার করে ব্যবহার করুন।আপনার তৈলাক্ত ত্বক খুব দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। সাথেই ত্বক উজ্জ্বল ও নরম দেখাবে।

2শুষ্ক ত্বকের জন্য

 

শুষ্ক ত্বক মানেই ত্বকে আর্দ্রতার অভাব। ত্বক শুষ্ক হলে যেমন দেখতে ভালো লাগে না তেমনই ত্বক তার স্বাভাবিকতা হারায়। শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা না থাকলে ত্বক খুবই রুক্ষ লাগে। ত্বকে নানা রকমের বলিরেখা দেখা দেয়। শুষ্ক ত্বকের জন্য নিয়মিত ফেসপ্যাক ব্যবহার করা উচিত। চলুন জেনেনি শুষ্ক ত্বকের ফেসপ্যাক কিভাবে বানানো যাবে।

উপকরণ

 

গোলাপজল, গ্লিসারিন, ও তুলো।
একটি বাটিতে ১ চা চামচ গ্লিসারিন ও ৪ চা চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন ভালো করে। রেডি আপনার ফেসপ্যাক। এবার ভালো করে ঠাণ্ডা জলে আগে মুখ ধুয়ে মুখ মুছে নিন। তারপর তুলতে গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণটি লাগান। সারা মুখে মিশ্রণটি লাগানো হয়ে গেলে ১০ মিনিট রাখুন। এরপর ভালো কোন ব্র্যান্ডের ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। রোজ এই ঘরোয়া ফেসপ্যাক ২ বার করে লাগান। আপনার শুষ্ক ত্বক নরম ও মসৃণ হয়ে উঠবে।

আরো বেশি জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করেন

৩. ব্রণ যুক্ত ত্বকের জন্য

 

ত্বকে নানা প্রকার জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়ার জন্য সাধারণত ব্রণ হয়ে থাকে। এই ব্রণ থেকে মুখে দাগ দেখা দেয়। যা খুবই বিশ্রী দেখতে লাগে। নিয়মিত ফেসপ্যাক ব্যবহার করে এই ব্রণর হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। চলুন জেনেনি ব্রণ যুক্ত ত্বকের ফেসপ্যাক কিভাবে বানানো যাবে।

উপকরণ

 

মেথি ও ব্যাকটেরিয়া মুক্ত জল।
এক গ্লাস ফিল্টার জলে ৪ চা চামচ মেথি ভিজিয়ে সারা রাত রাখুন। পরের দিন মেথি ভেজানো জল ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন।এবার তুলো দিয়ে ছেঁকে নেওয়া জলটি সারা মুখে লাগান। সারাদিনে ২ থেকে ৩ বার এই মেথিজল মুখে মাখুন। ব্রণ হবার সম্ভাবনা প্রায় থাকবে না। সপ্তাহে তিনদিন এই ব্যবহার করুন। ভালো ফলাফল পাবেন।

৪.  পিগমেন্টড ত্বকের জন্য

 

পিগমেন্টড ত্বকের সমস্যা হয়ে থাকে যদি ত্বকে অতিমাত্রায় মেলানিন থাকে। অতিরিক্ত মেলানিনের উপস্থিতিতে ত্বকের মধ্যে বেমানান দাগ দেখা দেয়। ত্বকের স্বাভাবিক রঙের মাঝে তৈরি হওয়া এই বেমানান দাগ টোনার দূর করতে সাহায্য করে। চলুন জেনেনি পিগমেন্টড ত্বকের ফেসপ্যাক কিভাবে বানানো যাবে।

 আরো বেশি জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করেন

৫. তৈলাক্ত ত্বকের জন্য

 

ত্বক তৈলাক্ত বা অয়লি ত্বক হলে খুব সহজে ত্বকে ময়লা জমে যায়। ফলে ব্রণ মুখে হতেই থাকে। মুখে নানা দাগ হয়ে যায় এই ব্রণ থেকে। তৈলাক্ত বা অয়লি ত্বকের জন্য ঘরোয়া ফেসপ্যাক  বেশি কার্যকরী। চলুন জেনেনি তৈলাক্ত ত্বকের ফেসপ্যাক কিভাবে বানানো যাবে।

উপকরণ

 

বেকিং সোডা, গোলাপজল, গরমজল, ও তুলো।
১ কাপ হালকা গরমজল নিন। তাতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা ও ২ চা চামচ গোলাপজল মেশান। এবার তুলো নিয়ে এই মিশ্রণটি মুখে মাখুন। ৫ মিনিট রাখুন। দিনে ২বার করে ব্যবহার করুন।আপনার তৈলাক্ত ত্বক খুব দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। সাথেই ত্বক উজ্জ্বল ও নরম দেখাবে।
 আরো বেশি জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করেন

ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার সহজ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক: মুখ সারাদিন তেল তেলে হয়ে থাকা নারী-পুরুষ অনেকের জন্যই একটি মারাত্মক বিব্রতকর সমস্যা। তৈলাক্ত ত্বক দেখতে তো খারাপ লাগেই। ত্বকের তেলতেলে ভাবের কারণে খুব সহজেই মুখে ময়লা জমে। এতে ব্রণসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়। আর ত্বকে একটা কালচে ভাবও দেখা যায়। অনেক নামি-দামি ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করেও এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায় না। অথচ প্রাকৃতিক উপায়ে দূর করতে পারেন ত্বকের তেল তেলে ভাব। 

একটি লেবুতেই সমাধান মিলে যাবে সহজে। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সে ক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।

লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণ ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর। একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। তারপর তার সঙ্গে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।


   

লেবু ও কমলা দিয়ে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

 ঘরে বসে তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে লেবু ও কমলালেবু হতে পারে অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান।
 
লেবুঃ
 
ভিটামিন সি-তে ভরপুর লেবু, ত্বকের প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে। লেবুর ব্যবহার মুখের ত্বকে দাগ, অ্যাকনে, স্কিন টোনিং ও মুখকে পরিষ্কার করতে কার্যকর হয়। তাই ত্বকের যত্নে লেবু ব্যবহার করতে,* একটি পুরো লেবুর রস চিপে নিয়ে, তার সাথে আধা চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি খুব ভালো করে, মিশাতে হবে। আবার এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে, শুকানোর আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এই প্যাকটি মুখের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। আর সেই সাথে ত্বক হবে উজ্জ্বল আর তেলমুক্ত। 
 
* মুখে কালো কালো ছোপের সমস্যা থাকলে, যে কোনও তৈলাক্ত ত্বকের ফেস প্যাকের সাথে লেবুর রস ব্যবহার করুন নিয়মিত। এতে করে ধীরে ধীরে দাগ হালকা হবে। মনে খেয়াল রাখতে হবে যে, লেবু শুধুমাত্র রাতে ব্যবহার করাই ভালো।

কমলাঃ
 
লেবুর মতন কমলাও ভিটামিন সি-তে ভরপুর। ভিটামিন-সি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে করে মুখের দাগ কমে যায় এবং বয়সের ছাপ দূর হয়। তাই কমলা ব্যবহার করতে,

* প্রথমেই রোদে কমলার খোসা শুকিয়ে নিন। এবার শুকনো কমলার খোসা গুড়ো করে, সামান্য দুধের সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন মুখে ম্যাসাজ করুন। এটি খুবই উপকারী স্ক্রাবের মতন কাজ করে।

* ত্বককে তেলমুক্ত রাখতে কমলার পাল্প সরাসরি মুখে মাখতে হবে। অতঃপর শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে তেলমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

* ত্বককে নরম আর মসৃণ করতে দইয়ের সাথে কমলার রস যোগ করে, মুখে মাখুন।
তৈলাক্ত ত্বকের তেল দূর করতে, কমলা ও লেবু খুবই উপকারী। তাই ত্বকের যত্ন নিতে কমলা ও লেবু ব্যবহার করে, সকল সমস্যা দূর করুন।



পাকা চুল কালো করার ঘরোয়া বিশেষ উপায়

বয়স বাড়ার সাথে আমাদের চুলের রঙ সাদা হতে থাকে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু অনেকেই আছেন যাদের চুল খুব কম বয়সেই সাদা হতে শুরু করে। সাধারণত আমাদের চুলে যে রঞ্জন পদার্থ থাকে সেটি আমাদের চুল কালো করে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে রঞ্জন পদার্থটি কমতে থাকে। ফলত চুল সাদা হয়ে যায়। তবে বর্তমানে পারিপার্শিক পরিবেশ এবং শারীরিক সমস্যা এই দুটি কারণেই কম বয়সে অনেকেরই চুল সাদা হয়ে যায়।
আমাদের শরীরে ভিটামিন বি ১২ এর অভাব হলে বা থাইরয়েড গ্ল্যান্ড এর অসমক্ষরণ অকালেই আমাদের চুল সাদা করে দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত স্ট্রেস, অতিরিক্ত ধুম্রপান, হেরিডিটি, এনিমিয়া, অপুষ্টি ইত্যাদি কারণে অকালেই আমাদের চুল সাদা হয়ে যাওয়ার সমস্যাটি হয়।
সাদা চুলের রং পরিবর্তন করার জন্য বাজারে নানা রকমের হেয়ার কালার পাওয়া যায়। যেগুলি অনেক সহজেই সাদা চুল আড়াল করে দিতে পারে। তবে এতে মিশ্রিত রাসায়নিক অনেক সময় আমাদের চুল রুক্ষ করে তলে এবং এর ফলে চুল পরতে শুরু করে। তাই আজ থাকছে ঘরোয়া উপায়ে, কোনো রকম চুলের ক্ষতি না করে, চুল কালো করার উপায়।
হেনা
ঘরোয়া উপায়ে সাদা চুল কালো করার সবথেকে ভালো উপায় হলো হেনা। হেনার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক রং। এতে চুলের কোনরকম ক্ষতির সম্ভাবনা থাকেনা। এটি খুব সহজেই পাকা চুলকে আড়াল করে। হেনা পাউডার আগের দিন রাতে অল্প কফির সাথে গরম জলে ভিজিয়ে পেস্ট মত বানিয়ে রাখুন। সকালে এর সাথে দই, ১ চামচ ভিনিগার ও ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ভালো করে চুলে লাগিয়ে ১-২ ঘন্টা পর ভালো করে মাথা ধুয়ে ফেলুন। এরপর মাথায় অল্প তেল মেখে পরের দিন শ্যাম্পু করে নিন। চুলের রং দীর্ঘস্থায়ী হবে।
চা পাতা
চা পাতা সাদা চুল কালো করে খুব সহজেই। ২-৩ বড় চামচ চা পাতা জলে ফুটিয়ে নিন। এবার ছাকনি দিয়ে চা পাতা ও চায়ের জল আলাদা করে নিন। ঠান্ডা হলে চা পাতা ফোটানো জল চুলে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ২ ঘন্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু না করাই ভালো। এটি আপনি সপ্তাহে দু থেকে তিন বার চুলে লাগাতে পারেন ভালো ফল পাওয়ার জন্য।
নারকেল তেল ও লেবু
নারকেল তেল ও লেবুর রস চুলে লাগালে আমাদের চুলের অকালেই সাদা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে এর ফলে আমাদের চুল ঘন ও কালো হয়। নারকেল তেলের সাথে একটি লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে ভালো করে চুল ও স্কাল্প এ ম্যাসাজ করুন। এবার ১-২ পর ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার তেল ও লেবুর রস চুলে লাগালে চুলের অকালেই সাদা হওয়াকে আটকানো যায় এবং চুলের স্বাভাবিক কালো রং অনেকে দিন বজায় থাকে।


তাত্ক্ষণিক ত্বকের বিশুদ্ধতা প্রচারে ফেসপ্যাক সবচেয়ে কার্যকর।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে আমাদের প্রচেষ্টা অতীত হয় না। তবে রাতে যদি গুরুতরভাবে ঘুম ভাল না হয় বা আগের দিনটি ভালভাবে ব্যবহার না করা বা মাঝারি ঘুম না করা হয় তবে অনেক সময় এপিডার্মিসটি ময়লা দেখাবে। এবং আপনি যদি পরের দিন ঘুম থেকে উঠে এবং নোংরা কালো ত্বকের দিকে নজর দেন তবে আপনার মন আরও খারাপ হয়ে যায়। দিনের শুরুটা নষ্ট হয়ে গেছে। এবং যদি সেদিন বিশেষ কিছু থাকতে পারে তবে একেবারেই কোনও অর্থ নেই, দিনটি মাটি সহ। অনেকে মনে করেন তাত্ক্ষণিকভাবে ত্বক উজ্জ্বল করা যায় না এবং ত্বক অপসারণ করা যায় না, তবে কী কী অনুশীলন করা যায়। চিন্তা করবেন না, ত্বকটি তাত্ক্ষণিকভাবে আবার চালু করার জন্য খুব কার্যকর কিছু ফেসপ্যাক রয়েছে। আসুন আজ তাড়াতাড়ি কী করা উচিত তা ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে know                                                         





এর জন্য আনুষাঙ্গিক প্রয়োজন

1 টেবিল চামচ শস্য,
1 চামচ তিল বীজ,
3 কাপ জল।


কীভাবে আপনার ফেস প্যাক তৈরি করবেন

 


প্রথমে চাল ধুয়ে এই ধরণের জল ধুয়ে ফেলুন, তারপরে তিল এবং জলে একসাথে মিশিয়ে 5 গ্লাস জলে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।
1. সকালে, মিশ্রণটি আপনার জারে জল মিশ্রিত করে বা পেষকদন্তের অভ্যন্তরে পিষে সব সেট করা উচিত। এটি অন্তত পরিশ্রুত করা যায় না, এবং অনেক বড় শস্য হিসাবে রাখা যায় না।

২. এই মিশ্রণটি সকালে স্ক্রাবের মতো পুরো ত্বকে লাগাতে হবে এবং কয়েক মিনিটের জন্য রেখে দেওয়া উচিত।
3 মিনিট পরে হালকাভাবে ঘষুন এবং ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন।
4. আপনার শরীরের ত্বককে তাত্ক্ষণিকভাবে আলোকিত করার জন্য আপনি এই স্ক্রাবটির কারণে পুরো শরীরটি স্ক্রাব করতে পারেন। এবং নিয়মিত স্ক্রাবগুলি ত্বকের লবণাক্ততা বাড়িয়ে তুলবে।

দম্পতি. স্ক্রাবটি একটি এয়ারটাইট ক্যারিয়ারে আনুমানিক 5 দিনের জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে, আরও ভাল ফলাফলের জন্য বিজ্ঞাপন এবং বিপণন দুই দিনের পরে একটি নতুন ফিউশন তৈরি করতে1


















রুপর্চচা

শুষ্ক ত্বকের বিষয়ে

1। ত্বকের ভাল করে পরিষ্কার করতে অলিভ অয়েল বা ভিটামিন ই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ তেল প্রয়োগ করে বিকেলের ভিতরে শুরু করুন।

২। জলপাই তেল, কমলার রস, ডিমের সাদা অংশগুলি 5 মিনিটের জন্য ভালভাবে মিশ্রিত হওয়া উচিত। তারপরে গরম ঘরোয়া গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি একটি ভাল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে।

৩. ভিটামিন ও ফ্যাট সমৃদ্ধ নারকেল তেল ত্বককে নরম ও পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। নারকেল তেলের সাথে কোকো মাখন মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে দিন। এই ময়েশ্চারাইজার এপিডার্মিসের প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৪) মধু ত্বকের অভ্যন্তরে আর্দ্রতা ধরে রাখে। লেবুর রস, দই, ডিম্বাশয় সাদা, মধু মিশ্রিত মিশ্রণটি 5 মিনিটের জন্য। তারপরে গরম পানিতে মুখের ত্বক ধুয়ে ফেলুন। আপনি ডার্লিংয়ের সাথে গুঁড়ো দুধ মিশ্রিত করতে পারেন।

5. আমন্ডার তেল গ্লিসারিনের সাথে মিশিয়ে বোতলটির ভিতরে ভরে দিন। সপ্তাহে একবার ত্বকে ম্যাসাজ করুন।